April 19, 2026, 6:39 pm

রিক্সা চালকের ওপর হামলা থামাতে গিয়ে ছাত্রলীগ নেতার হাতে হেনস্থার শিকার সাংবাদিক

নিজস্ব সংবাদদাতা :নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সামনে এক রিক্সা চালককে ব্যপক মারধর ও হামলা চালানোর ঘটনা থামাতে গিয়ে হত্যার হুমকি ও হেনস্থার শিকার হলেন নারায়ণগঞ্জ সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন । রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস সংলগ্ন সড়কের পাশে এক রিক্সা চালককে ব্যপক মারধর করছিলো সাহেব পাড়া এলাকার বিএনপি নেতা নাজমুলের ভাই মোঃ সাইফুল ইসলাম নাছিম ও সাঙ্গ পাঙ্গরা। এসময় ঐ রিক্সা চালককে মারধর করতে দেখে এগিয়ে যান সাংবাদিক । তিনি ঘটনাস্থলে গেলে তাকেও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হত্যার হুমকি দেয় বিএনপি নেতার ভাই সাবেক ছাত্রলীগের নেতা মোঃ সাইফুল ইসলাম নাদিম ও তার সঙ্গে থাকা সন্ত্রাসীরা।
এ বিষয়ে প্রতক্ষ্যদর্শীরা জানায়, এরা বিএনপি নেতা নাজমুলের ভাই । ওরা চরম বেদ্দব। এখানে একজন রিক্সা চালককে শুধু শুধু মারধর করে রক্তাক্ত যখম করছিলো ওরা। এই দৃশ্য দেখে মারামারি থামাতে যান সাংবাদিক আবদুল্লাহ আল মামুন । তখন তার ওপর চড়াও হয় সাহেপাড়া এলাকার নাজমুলের ভাই মোঃ সাইফুল ইসলাম নাদিম ও সাঙ্গ পাঙ্গরা। পরে কয়েকজন লোক এসে সাংবাদিককে উদ্ধার করে অন্যত্র সরিয়ে দেন।
এ বিষয়ে হেনস্থার শিকার সাংবাদিক আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, পাসপোর্ট অফিস সংলগ্ন আমার অফিসে নিচে একজন রিক্সা চালককে ব্যপক মারধর করছে কজন লোক। এই দৃশ্য দেখে কেনো রিক্সা চালককে মারধর করা হচ্ছে জানতে চাইলে আমার সাথেও খারাপ আচরন শুরু করে তারা। খারাপ আচরন কেনো চাইলে তারা উত্তেজিত হয়ে মারমুখি আচরন শুরু করে । এসময় আমার পরিচত কয়েকজন এসে ওখান থেকে আমাকে সেভ করে । পরে জানতে পারি তারা হলো সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন সাহেবপাড়া এলাকার বিএনপি নেতা নাজমুলের ভাই সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মোঃ সাইফুল ইসলাম নাদিম। এদেরকে দ্রুত গ্রেফতার সহ আইনের আওতায় আনা দাবী এই সিনিয়র সাংবাদিকের।
এই বিষয়ে সাহেবপাড়া এলাকার বিএনপি নেতা নাজমুলকে তিনি জানান, আপনি অফিসে ফোন দিয়েন বিষয়টা নিয়ে আলোচনা সহ সমাধান করবো।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা